Bangladesh’s Greatest ODI Innings বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় ব্যাটিং পারফরম্যান্সগুলোর গল্প। ওয়ানডে ক্রিকেটে একটি অসাধারণ ইনিংস শুধু ব্যক্তিগত রেকর্ডই গড়ে না, বরং পুরো ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে। গত দুই দশকে বাংলাদেশের ব্যাটাররা বিশ্ব ক্রিকেটের অনেক শক্তিশালী দলের বিপক্ষে স্মরণীয় কিছু ইনিংস উপহার দিয়েছেন, যা দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
তামিম ইকবালের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি, সাকিব আল হাসানের অলরাউন্ড শ্রেষ্ঠত্ব, মুশফিকুর রহিমের দায়িত্বশীল ব্যাটিং কিংবা লিটন দাসের নান্দনিক স্ট্রোকপ্লে—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেট সমৃদ্ধ হয়েছে অসংখ্য অবিস্মরণীয় ইনিংসে। এই নিবন্ধে আমরা শুধু সর্বোচ্চ রান নয়, বরং ম্যাচের গুরুত্ব, প্রতিপক্ষের মান, ম্যাচ পরিস্থিতি এবং দলের জয়ে অবদান বিবেচনা করে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ১০টি ODI ইনিংস তুলে ধরব।
Table of Contents
Bangladesh’s Greatest ODI Innings Top 10 List
10. Mohammad Ashraful – 100 vs Australia (2005)

২০০৫ সালে কার্ডিফের মাঠে তৎকালীন বিশ্বজয়ী ও অপরাজেয় দল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মোহাম্মদ আশরাফুলের এই সেঞ্চুরিটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। পন্টিং, ম্যাকগ্রা, গিলেস্পিদের মতো কিংবদন্তি বোলারদের বিপক্ষে মাত্র ২০ বছর বয়সী আশরাফুল খেলেন এক অবিশ্বাস্য ও নির্ভীক ইনিংস। তাঁর কব্জির মোচড় আর স্কয়ার কাটগুলো বিশ্ব ক্রিকেটের বড় বড় পণ্ডিতদের প্রশংসা কুড়াতে বাধ্য করেছিল। আশরাফুলের এই ১০০ রানের জাদুকরী ইনিংসের ওপর ভর করেই বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঘটনটি ঘটায়। এই একটি ইনিংসই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে বড় বড় দলগুলোর মুখোমুখি দাঁড়ানোর সাহস ও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল।
| Match Info | Stat | Boundary | Stat |
| Opposition | Australia | 4s (Fours) | 11 |
| Runs | 100 | 6s (Sixes) | 0 |
| Balls | 101 | Strike Rate | 99.00 |
| Year | 2005 | Status | Out |
9. Tamim Iqbal – 125 vs England (2010)

২০১০ সালে ক্রিকেটের মক্কা খ্যাত লর্ডসের মাঠে শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তামিম ইকবালের এই সেঞ্চুরিটি ছিল রাজকীয়। ইংলিশ কন্ডিশনে অ্যান্ডারসন ও ব্রডদের সুইং ও গতিকে থোড়াই কেয়ার করে তিনি মাঠের চারদিকে স্ট্রোকের ফুলঝুরি ফোটান। মাত্র ১০০ বলে ১২৫ রানের এই বিস্ফোরক ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ দল ইংল্যান্ডকে তাদের মাটিতেই কাঁপিয়ে দিয়েছিল। সেঞ্চুরি করার পর লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নাম লেখানোর সেই আইকনিক উদযাপন আজীবন মনে রাখার মতো। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটি অন্যতম এক সেরা ও সাহসী ব্যাটিং আক্রমণ।
| Match Info | Stat | Boundary | Stat |
| Opposition | England | 4s (Fours) | 13 |
| Runs | 125 | 6s (Sixes) | 3 |
| Balls | 100 | Strike Rate | 125.00 |
| Year | 2010 | Status | Out |
8. Mehidy Hasan Miraz – 100 vs India (2022)*

মিরপুরের মাঠে ভারতের বিরুদ্ধে অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজের এই শতকটি ওয়ানডে ইতিহাসের অন্যতম সেরা লোয়ার-অর্ডার কামব্যাক। মাত্র ৬৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন অল্প রানে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায়, তখন আট নম্বরে নামেন মিরাজ। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে সাথে নিয়ে ইনিংস মেরামত করার পর শেষ দিকে ভারতীয় পেসারদের ওপর রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন তিনি। ম্যাচের শেষ বলে ছক্কা মেরে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম এবং এক অবিশ্বাস্য রূপকথার সেঞ্চুরি পূরণ করেন মিরাজ। তাঁর এই বীরত্বপূর্ণ শতকের কল্যাণে বাংলাদেশ শুধু ম্যাচই জেতেনি, বরং ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজও নিজেদের করে নেয়।
| Match Info | Stat | Boundary | Stat |
| Opposition | India | 4s (Fours) | 8 |
| Runs | 100* | 6s (Sixes) | 4 |
| Balls | 83 | Strike Rate | 120.48 |
| Year | 2022 | Status | Not Out |
7. Liton Das – 121 vs India (2018)

২০১৮ এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে লিটন দাস ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা এবং চোখ ধাঁধানো ইনিংসটি খেলেন। কোনো বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভারতের বিশ্বমানের বোলারদের শাসন করে লিটন তুলে নেন তাঁর প্রথম ওয়ানডে শতক। তাঁর প্রতিটি শটের টাইমিং, ব্যাকফুট পাঞ্চ এবং লফটেড ড্রাইভগুলো ছিল দেখার মতো এবং ক্রিকেটীয় সৌন্দর্যে ভরপুর। আম্পায়ারের একটি বিতর্কিত স্টাম্পিংয়ের শিকার হওয়ার আগে তিনি খেলেন ১১৭ বলে ১২১ রানের এক ঝকঝকে ইনিংস। যদিও বাংলাদেশ শেষ বলে ম্যাচটি হেরে যায়, কিন্তু লিটনের এই মাস্টারক্লাস ফাইনালের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
| Match Info | Stat | Boundary | Stat |
| Opposition | India | 4s (Fours) | 12 |
| Runs | 121 | 6s (Sixes) | 2 |
| Balls | 117 | Strike Rate | 103.41 |
| Year | 2018 | Status | Out (Stumped) |
6. Mushfiqur Rahim – 144 vs Sri Lanka (2018)

২০১৮ সালের এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মুশফিকুর রহিমের এই ইনিংসটি ছিল চরম সাহসিকতার এক অনন্য নিদর্শন। ম্যাচের প্রথম ওভারেই তামিম ইকবাল আঙুলে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে এবং দ্রুত উইকেট হারিয়ে দল চরম বিপদে পড়ে। একপ্রান্ত আগলে রেখে মুশফিক ক্যারিয়ার সেরা ১৪৪ রানের এক অতিমানবীয় ইনিংস খেলে দলকে লড়াকু পুঁজি এনে দেন। ভাঙা আঙুল নিয়ে তামিমের পুনরায় ক্রিজে আসা এবং মুশফিকের এই মহাকাব্যিক ব্যাটিং শ্রীলঙ্কাকে ম্যাচ থেকে সম্পূর্ণ ছিটকে দেয়। দুবাইয়ের তীব্র গরম ও চরম প্রতিকূল পরিস্থিতি জয় করে খেলা এই ইনিংসটি এশিয়া কাপের অন্যতম সেরা ইনিংস।
| Match Info | Stat | Boundary | Stat |
| Opposition | Sri Lanka | 4s (Fours) | 11 |
| Runs | 144 | 6s (Sixes) | 4 |
| Balls | 150 | Strike Rate | 96.00 |
| Year | 2018 | Status | Out |
Also Read :
Bangladesh’s Greatest T20 Innings | Top 10 T20I Batting Masterclasses in Bangladesh Cricket History
5. Mahmudullah Riyad – 102 vs New Zealand (2017)*

একই ম্যাচে কার্ডিফের সেই ঐতিহাসিক জয়ে সাকিবের শতকের পাশাপাশি সমান গুরুত্বপূর্ণ ও নান্দনিক ছিল মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ইনিংসটি। সাকিবের সাথে তাল মিলিয়ে তিনিও ঠান্ডা মাথায় কিউই বোলারদের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে নিজের শতক তুলে নেন। তাঁর এই ১০২* রানের ইনিংসটি ছিল নিখুঁত টাইমিং এবং অসাধারণ স্নায়ুচাপ নিয়ন্ত্রণের এক দুর্দান্ত প্রদর্শন। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়ার কারণে এই ইনিংসটির মাহাত্ম্য ক্রিকেট ভক্তদের কাছে অনেক বেশি। সাকিবের সাথে তাঁর এই যুগলবন্দী বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা ও লড়াকু পার্টনারশিপ হিসেবে অমর হয়ে আছে।
| Match Info | Stat | Boundary | Stat |
| Opposition | New Zealand | 4s (Fours) | 8 |
| Runs | 102* | 6s (Sixes) | 2 |
| Balls | 107 | Strike Rate | 95.32 |
| Year | 2017 | Status | Not Out |
4. Shakib Al Hasan – 114 vs New Zealand (2017)

২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে কার্ডিফের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই ইনিংসটি ছিল খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। ২৬৬ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন লজ্জাজনক পরাজয়ের সম্মুখীন, তখন জুটি বাঁধেন সাকিব ও মোসাদ্দেক (যিনি পরে আউট হন, মূল জুটি ছিল মাহমুদুল্লাহর সাথে)। কিউই পেসারদের সুইং ও বাউন্স সামলে সাকিব ১১৪ রানের এক অসাধারণ ও বীরত্বপূর্ণ শতক উপহার দেন। মাহমুদুল্লাহর সাথে তাঁর ২২৪ রানের সেই ঐতিহাসিক জুটি বাংলাদেশকে সেমিফাইনালে তোলার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে এক রূপকথার জয় এনে দেয়।
| Match Info | Stat | Boundary | Stat |
| Opposition | New Zealand | 4s (Fours) | 11 |
| Runs | 114 | 6s (Sixes) | 1 |
| Balls | 115 | Strike Rate | 99.13 |
| Year | 2017 | Status | Out |
3. Mahmudullah Riyad – 103 vs England (2015)

২০১৫ বিশ্বকাপে অ্যাডিলেডের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের এই শতকটি বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে আবেগময় এক মুহূর্ত। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এর আগে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরি করার কোনো রেকর্ড ছিল না। দলের বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে রিয়াদ অত্যন্ত ধৈর্যশীল ও লড়াকু ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে দেশের পক্ষে প্রথম বিশ্বকাপ সেঞ্চুরি তুলে নেন। তাঁর এই ঐতিহাসিক ইনিংসের ওপর ভর করেই বাংলাদেশ দল ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার গৌরব অর্জন করে। চাপের মুখে দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের গতিপথ বদলে দেওয়া অন্যতম এক প্রভাববিস্তারী ব্যাটিং পারফরম্যান্স ছিল এটি।
| Match Info | Stat | Boundary | Stat |
| Opposition | England | 4s (Fours) | 7 |
| Runs | 103 | 6s (Sixes) | 2 |
| Balls | 138 | Strike Rate | 74.63 |
| Year | 2015 | Status | Run Out |
2. Tamim Iqbal – 154 vs Zimbabwe (2009)

২০০৯ সালে বুলাওয়ের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩১৩ রানের বিশাল পাহাড় টপকাতে গিয়ে তামিম এই মহাকাব্যিক ইনিংসটি খেলেন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করে জিম্বাবুয়ের বোলারদের সম্পূর্ণ ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিলেন এই ড্যাশিং ওপেনার। এটি ছিল ওয়ানডে ক্রিকেটে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানের করা প্রথম দেড় শতাধিক (১৫০+) রানের ব্যক্তিগত ইনিংস। তাঁর এই বিধ্বংসী ইনিংসে ছিল দারুণ সব ডাউন দ্য উইকেট শট এবং চোখ ধাঁধানো বাউন্ডারির মেলা। তখনকার সময়ে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এবং রেকর্ড গড়া এক রান তাড়ার রূপকার ছিলেন তামিম ইকবাল।
| Match Info | Stat | Boundary | Stat |
| Opposition | Zimbabwe | 4s (Fours) | 7 |
| Runs | 154 | 6s (Sixes) | 6 |
| Balls | 138 | Strike Rate | 111.59 |
| Year | 2009 | Status | Out |
1. Shakib Al Hasan – 124 vs West Indies (2019)*

২০১৯ বিশ্বকাপের এই স্মরণীয় ম্যাচে সাকিব আল হাসান ব্যাটিংয়ের এক অনন্য ও নিখুঁত মাস্টারক্লাস প্রদর্শন করেছিলেন। ৩২২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তিনি ক্যারিবীয় পেসারদের বাউন্সার ও গতির আক্রমণকে একদম সহজ বানিয়ে ফেলেন। লিটন দাসকে সাথে নিয়ে তাঁর গড়া সেই অবিচ্ছিন্ন জুটি বাংলাদেশকে এক ঐতিহাসিক ও দাপুটে জয় এনে দেয়। মাত্র ৯৯ বলে খেলা ১২৪* রানের এই ইনিংসটি সাকিবকে ওয়ানডে অলরাউন্ডার হিসেবে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। ওয়ানডে বিশ্বকাপে রান তাড়া করে জেতা ম্যাচের মধ্যে এটিকেই বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ইনিংস হিসেবে গণ্য করা হয়।
| Match Info | Stat | Boundary | Stat |
| Opposition | West Indies | 4s (Fours) | 16 |
| Runs | 124* | 6s (Sixes) | 0 |
| Balls | 99 | Strike Rate | 125.25 |
| Year | 2019 | Status | Not Out |
Conclusion (উপসংহার)
পরিশেষে বলা যায়, ওয়ানডে ক্রিকেটের এই ১০টি সেরা ইনিংস কেবল কিছু রেকর্ডের খতিয়ান নয়, এগুলো বাংলাদেশ ক্রিকেটের উত্থান এবং গৌরবের একেকটি জ্বলন্ত দলিল। আশরাফুলের সেই ঐতিহাসিক অসি-বধ থেকে শুরু করে সাকিব-তামিম কিংবা মিরাজের রূপকথার ইনিংসগুলো আমাদের ক্রিকেটকে সমৃদ্ধ করেছে। এই ব্যাটিং মাস্টারক্লাসগুলো প্রমাণ করে যে, ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশ কেন যেকোনো দলের জন্যই এক আতঙ্কের নাম। আগামী দিনে এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সগুলো নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের আরও বড় মঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল করতে প্রতিনিয়ত অনুপ্রেরণা জোগাবে।
FAQs
১. ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান কার?
উত্তর: ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ডটি লিটন দাসের। ২০২০ সালে সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনি ১৭৬ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল তামিম ইকবালের (১৫৮ রান)।
২. ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান কে?
উত্তর: ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে অ্যাডিলেডের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি ১০৩ রানের এক ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেছিলেন।
৩. ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরি কার?
উত্তর: ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি মুশফিকুর রহিমের। ২০২৩ সালে সিলেটের মাঠে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি মাত্র ৬০ বলে দুর্দান্ত একটি শতক তুলে নিয়েছিলেন।

